বাংলাদেশ ডেস্ক : | বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
নিউইয়র্কে বাড়ির হিটিং ও কুলিং খরচ কমাতে সাম্প্রতিক সময়ে হিট পাম্প প্রযুক্তির প্রতি বাড়ির মালিকদের আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে যারা এখনো পুরোনো গ্যাস, তেলচালিত ফার্নেস কিংবা বয়লার ব্যবস্থা ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য জ্বালানি-সাশ্রয়ী হিট পাম্প একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। একই ব্যবস্থার মাধ্যমে শীতকালে ঘর গরম এবং গরমকালে ঠান্ডা রাখার সুবিধা পাওয়া যায়।
পাশাপাশি যোগ্য বাড়ির মালিকদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের রিবেট বা আর্থিক প্রণোদনার সুযোগ। তবে বর্তমান রিবেট সুবিধা নিতে আগ্রহীদের দ্রুত যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তোফায়েল চৌধুরী লিটন। ঠিকানা বিজনেস জংশনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, যারা চলমান রিবেট সুবিধার আওতায় আবেদন করতে চান, তাদের আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যেই যোগাযোগ করে আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ওই সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করা গেলে পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে রিবেট সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে তিনি জানান।
তোফায়েল চৌধুরী লিটন বলেন, হিট পাম্প স্থাপনের আগে একটি বাড়ির আয়তন, বর্তমানে ব্যবহৃত হিটিং ব্যবস্থা, ইনসুলেশন, বৈদ্যুতিক সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট ইউটিলিটি কোম্পানির নিয়মসহ বেশ কিছু বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন। কারণ সব বাড়ির জন্য একই ধরনের হিট পাম্প কিংবা একই পরিমাণ রিবেট প্রযোজ্য নয়। একজন বাড়ির মালিক কত টাকা রিবেট পাবেন এবং রিবেট পাওয়ার পর নিজের পকেট থেকে কত টাকা ব্যয় করতে হবে, সেটিও নির্ভর করে বাড়ি ও প্রকল্পের ধরনের ওপর। এ কারণে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাড়িটি সরেজমিনে মূল্যায়ন করে সম্ভাব্য খরচ, রিবেটের পরিমাণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খরচ কতটা সাশ্রয় হতে পারে, সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। হিট পাম্পের অন্যতম বড় সুবিধা হলো, একটি ব্যবস্থার মাধ্যমেই সারা বছরের হিটিং ও কুলিংয়ের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। তবে শুধু রিবেট পাওয়া যাচ্ছে-এ বিবেচনায় হিট পাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত না নিয়ে বাড়ির প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ক্ষমতার ব্যবস্থা নির্বাচন এবং অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যথাযথভাবে সেটি স্থাপন নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স জানিয়েছে, আগ্রহী বাড়ির মালিকদের বাড়ির প্রয়োজন মূল্যায়ন, উপযুক্ত হিট পাম্প নির্বাচন, সম্ভাব্য রিবেটের পরিমাণ নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় আবেদন ও কাগজপত্র প্রস্তুতের পুরো প্রক্রিয়ায় তারা সহযোগিতা করে থাকে। তাই যারা পুরোনো হিটিং বা কুলিং ব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা ভাবছেন এবং বর্তমান রিবেট সুবিধা কাজে লাগাতে চান, তাদের জন্য এখনই বিষয়টি যাচাই করার উপযুক্ত সময়। বিশেষ করে ৩১ আগস্টের সময়সীমার আগে যোগাযোগ করে নিজের বাড়ি রিবেট পাওয়ার যোগ্য কি না এবং কী পরিমাণ সুবিধা পাওয়া যেতে পারে, তা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
Posted ১:০৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh
(3125 বার পঠিত)
(2748 বার পঠিত)