বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ | ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

নারীকে ইসলামই বেশি সম্মানিত করেছে

জাফর আহমাদ :   |   বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫

নারীকে ইসলামই বেশি সম্মানিত করেছে

সভ্যতার বিধানে নারীর মর্যাদা কত যে বেশী তার পরিমাপ করা খুবই কঠিন। গোটা দুনিয়াকে তাদের মুখাপেক্ষী করা হয়েছে। পুরো মানবজাতি তাদের কাছে ঋণী। বেশ কিছু লোকের ধারণা যে, শিশু পালন একটা সামান্য ব্যাপার। একটা মূর্খ মেয়েলোক দিয়েও তা চলতে পারে। কিন্তু যারা মানুষের প্রকৃতি সম্পর্কে সামান্য জ্ঞান রাখেন, তারা অবশ্যই বুঝতে পারেন যে, মানব জাতির দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে এর চাইতে গুরত্বপূর্ণ ও কঠিন কাজ আর নেই। দুনিয়ার যাবতীয় শিক্ষা ও সভ্যতা সম্পর্কিত কার্যাবলীর ভেতরে কোন কাজই শিশুদের যথার্থরূপে লালন পালনের মত কঠিন দায়িত্বপূর্ণ নয়। মানবজাতির যত সব শিক্ষাগত ও চারিত্রিক সৌন্দর্যের বুনিয়াদ এই লালন পালনের ওপরই নির্ভরশীল-যা শৈশবে তারা মায়ের হাতে পেয়ে থাকে। মানুষের জ্ঞান ও চরিত্রগত পূর্ণত্বের মূল উৎস সেই শৈশবকাল, যখন সে স্রষ্টার নিয়োজিত স্নেহময়ী শিক্ষকের হাতে মর্যাদা ও পূর্ণত্বের ভূমিকা অধ্যয়ন করে থাকে। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে বিবেচনা করলে দেখতে পাবে যে, যথাযথ লালন পালন, মানুসের দৈহিক ও আত্মিক সংগঠন ও উন্নয়নের বিধান অবগতির ওপরে সর্বতোভাবে নির্ভরশীল। পরিশ্রম ও সতর্কতার দিক থেকে বিবেচনা করলেও দেখা যাবে যে, লালন পালন এমনি এক ব্যাপার যাতে চরম ধৈর্য ধারণ ও কষ্ট স্বীকারের প্রয়োজন রয়েছে। জন্মের দিন থেকে সাবালেগ হওয়া পর্যন্ত সন্তানের দেখা-শোনা, অসীম ধৈর্য ও তিতিক্ষা নিয়ে অশেষ দু:খের পরিণামফল দেখার জন্যে অধীর প্রতীক্ষায় দিন কাটানো, এমনকি সুদীর্ঘ চৌদ্দ পনের বছর অবধি চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সন্তানকে সাফল্যজনকভাবে বিশেষ স্তরে পৌঁছিয়ে দেবার কৃচ্ছ সাধনা, আদৌ সহজসাধ্য ব্যাপার নয়। তাই মানব সভ্যতার বুনিয়াদী গুরু দায়িত্বভার নারীর কাঁধে রেখে বাইরের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কোন্দল ও টানা-হেঁচড়ায়ও নারীকে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণভাবে অবিচার, অন্যায় ও জুলুম।

পশ্চিমা বিশ্ব ছাড়াও আমাদের দেশের মুসলিম নামধারী কিছু জ্ঞানপাপী এ অভিযোগ প্রায়ই উত্থাপন করে থাকে যে, ‘ইসলামের উত্তরাধিকার আইনে নারীদের অধিকারকে খর্ব করা হয়েছে। পুত্রকে কন্যার দ্বিগুণ দেয়া হয়েছে।’ যারা এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে আসেন, তাদেরকে প্রথমে জাহিলিয়াতের নারীর অবস্থান ও খৃষ্টান, বৌদ্ধ, হিন্দু ও ইহুদী ধর্মের মীরাস এবং ইসলামের সোনালী যুগের নারীদের অবস্থানের তুলনামুলক পর্যালোচনা করার অনুরোধ করবো। দ্বিতীয়ত: ইসলামের মিরাস বন্টনের পুরো নীতিমালাটুকু একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের অনুরোধ করবো।

আল কুরআনে যাদের হক সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে তাদের সংখ্যা ১২ জন, যাদেরকে ‘যাবিল ফুরুয বা আসহাবুল ফারায়েয (নির্ধারিত অংশের অধিকারীগণ) বলা হয়ে থাকে। যাদের অংশ কুরআন ও হাদীসে সুনির্ধারিত রয়েছে। এই ১২ জনের মধ্যে ৮ জনই মহিলা। ৪ জন পুরুষ যথা: (১) পিতা, (২) দাদা অর্থাৎ পিতার পিতা (৩) বৈপিত্রেয় ভাই ও (৪) স্বামী এবং ৮ জন মহিলা যথা: (১) স্ত্রী, (২) কন্যা, (৩) নাতনী, (৪) সহোদরা বোন (৫) বৈপিত্রেয় বোন, (৬)) বৈমাত্রেয় বোন, (৭) মাতা ও (৮) দাদী-নানী ।

অর্থাৎ মিরাসের ক্রম ধারায় মহিলাদেরকে এমন পর্যায়ে রাখা হয়েছে, যাদের মিরাস থেকে বঞ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই। নারী কখনো বউ হিসাবে, কখনো মেয়ে হিসাবে, কখনো মা হিসাবে, কখনো সহোদর বোন হিসাবে, কখনো বৈমাত্রীয় বা বৈপিত্রীয় বোন হিসাবে মীরাস পাবে। নারীর ভরণপোষনের দায়িত্ব পুরুষের ওপর বর্তায়। নারীর যে সম্পদ অর্জিত হয়েছে, হোক সেটি মোহরানা, হোক সেটি মিরাস সেটি তার অধিকারেই থাকবে। তা ব্যয় বা খরচ করার জন্য কোন পুরুষ চাপ প্রয়োগ করার অধিকার রাখে না।

ইসলাম মৃত ব্যক্তির কন্যা, বোন, স্ত্রী ও মাতাকে উত্তরাধিকারী করেছে। কোন অবস্থাতেই তাদেরকে মিরাস থেকে বঞ্চিত করেনি। নারীর মীরাস সম্পর্কে কয়েকটি বিষয় আমাদের গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে।
জাহেলি যুগে মীরাসের মানদণ্ড ছিল দুটি। একটি ছিল বংশ। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে কারণ। বংশের দিক দিয়ে যে মীরাস দেয়া-নেয়া হতো, তাতে বালক শিশু ও নারীদেরকে মীরাস দেয়া হতো না। মীরাস দেয়া হতো বীর পুরুষ যুদ্ধবাজ সন্তানদেরকে যারা গনীমতের সম্পদ অর্জন করে এনেছে। এ কথা ইবনে আবাস রাঃ ও সাঈদ ইবনে যোবাইর রাঃ থেকে বর্ণিত। শেষ পর্যন্ত আল্ল­াহ তাআলা নাযিল করলেনঃ হে নবী! “লোকেরা তোমার নিকট নারীদের ব্যাপারে ফতোয়া চায়। বলে দাও আল্ল­াহ তাদের ব্যাপারে তোমাদেরকে ফতোয়া দিচ্ছেন এবং একই সাথে সেই বিধানও স্মরণ করিয়ে দেন, যা প্রথম থেকে এই কিতাবে তোমাদের শুনানো হচ্ছে।

অর্থাৎ এতিম মেয়েদের সম্পর্কিত বিধানসমুহ, যাদের হক তোমরা আদায় করছো না। এবং যাদেরকে বিয়ে দিতে তোমরা বিরত থাকছো (অথবা লোভের বশবর্তি হয়ে নিজেরাই যাদেরকে বিয়ে করতে চাও)।(সুরা নিসা:১২৭) অর্থাৎ এ সুরার শুরুতে এতিম বিশেষ করে এতিম নারীদের সম্পর্কে যেসব বিধি-বিধান বর্ণনা করেছিলেন সেগুলো যথাযথ মেনে চলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন।

অন্যান্য ধর্মের ন্যায় ইসলামে নারীদেরকে জীবনস্বত্বে মিরাস দেয়া হয়নি। জীবনস্বত্ব বলতে বুঝায় জীবন যতদিন আছে ততদিন তা শুধু ভোগ করতে পারবেন। ঐ পরিবারের অন্য কোন পুরুষের সহায়তা ব্যতীত তা বিক্রি করতে পারবে না। কিন্তু ইসলামের উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি সম্পূর্নভাবে তাদেরই স্বত্ব হিসাবে গণ্য হবে। তারা এটি যেভাবে চান সেভাবে ভোগ ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যেরা এতে নাগ গলাবার অধিকার রাখে না। তারা তা নিজের কাছে রেখেও দিতে পারেন অথবা প্রয়োজন হলে তা বিক্রি, রেহান, হেবা, দান বা অন্যান্য হস্তান্তরও করতে পারেন। এতে পরিবারের কারো সহায়তার প্রয়োজন নেই।

কোন কোন ধর্মে মহিলাদেরকে এমন স্থান বা পর্যায়ে রাখা হয়েছে যে, তাদের মিরাস লাভে অনেকটা অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। কিন্তু ইসলামের মিরাস বন্টন পদ্ধতি এমনভাবে নির্ধারন করা হয়েছে যে মহিলারা কোন ক্রমেই বঞ্চিত হয় না। স্ত্রী, কন্যা ও মাতা যে কোন পরিস্থিতিতে বা যে কোন পর্যায়ে হোক না কেন, এরা অবশ্যই মীরাস পাবে। যেমন জনৈক পুরুষ লোক মৃত্যুর সময় ছেলে, মেয়ে, পৌত্র, পৌত্রি, স্ত্রী, পিতা, মাতা, দাদা, দাদী, চাচা, তিন প্রকারের ভাই ও বোন (সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয়) রেখে গেলেও স্ত্রী, কন্যা ও মাতা মীরাস পাবেই। কারণে অকারণে তারা মীরাস থেকে বঞ্চিত হবে না।

ইসলামের মীরাসী আইনে নিম্নলিখিত ছয়জন আত্মীয় কোন অবস্থাতেই মীরাস থেকে বঞ্চিত হয় না ঃ (১) পিতা (২) মাতা (৩) পুত্র (৪) কন্যা (৫) স্বামী ও (৬) স্ত্রী । লক্ষণীয় এ ছয়জনের অর্ধেকই নারী।
আল কুরআনে নারীর অংশ নির্ধারিত করে তাদেরকে সম্মানিত করা হয়েছে। অর্থাৎ তাদেরকে যাবিল ফুরুযের অন্তরভুক্ত করা হয়েছে। যাবিল ফুরুয মোট ১২ জন। এ ১২ জনের মধ্যে ৪ জন মাত্র পুরুষ এবং বাকি ৮ জনই মহিলা। অর্থাৎ নারীরা পুরুষের দ্বিগুন। এত অধিক সংখ্যক মহিলার মিরাস আসাবা ও যাবিল আরহাম দুটিতেও মেয়েদের অংশ রাখা হয়েছে।

আল্লাহর কথাঃ “ এক পুত্র দুই কন্যার সমপরিমান অংশ পাবে” অর্থাৎ পুত্র কন্যার দ্বিগুণ পাবে। মনে রাখা প্রয়োজন এখানে পুত্রের অংশকে কন্যার অংশের ওপর ভিত্তি করা হয়েছে। পুত্রের অংশ কমবেশী পাওয়া বা না পাওয়ার ব্যাপারে কন্যার অংশকেই মূলভিত্তি সাব্যস্ত করা হয়েছে। এভাবে বোন, বৈপিত্রেয় বোনের অংশ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এর দ্বারা এ কথাই প্রমাণিত হয় যে, ইসলাম উত্তরাধিকার ক্ষেত্রে নারী তথা মাতার দিক দিয়ে সম্পর্ককেই প্রাধান্য দিয়েছে।
ইসলামের মিরাসী আইন অনুসারে কারণ ও সম্পর্ক সকল অবস্থায় সমান অধিকার। অর্থাৎ কন্যা অবিবাহিতা হোক বা বিবাহিতা, পুত্র সন্তানের মা হোক বা কন্যা সন্তানের অথবা বন্ধা হোক সকল অবস্থায় পিতার পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে অংশ পাবে। অন্ধ, বোবা, বধির, দূরারোগ্য কুষ্ঠ ব্যধিগ্রস্থ হলেও সে মীরাস থেকে বঞ্চিত হবে না। মৃত ব্যক্তির স্ত্রী বেঁচে থাকলেও কন্যা অংশ পাবে।
ইসলামী উত্তরাধিকার আইনে সহোদর বোন, বৈমাত্রেয়া বোন, বৈপিত্রেয়া বোন ও পৌত্রীর মীরাস রয়েছে। কিন্তু বিশেষভাবে লক্ষণীয় এদের জন্য অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদে মীরাসের কোন প্রভিশন রাখা হয়নি।

স্ত্রী সকল অবস্থায় মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির মীরাস পাবে। মৃতের অন্য কোন ওয়ারিশ জীবিত থাক আর না থাক, কোন অবস্থাতেই স্ত্রী বঞ্চিত হবে না। স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেও বঞ্চিত হবে না।
মৃত ব্যক্তির মাতা সর্বাবস্থায় মীরাস পাবে। মৃতের পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র. স্ত্রী, কন্যা এবং পিতা জীবিত থাকলেও মাতা অংশ পাবে। প্রাপ্ত সম্পত্তিতে তার পূর্ণ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি তার ইচ্ছামত ব্যয়, দান, বিক্রয় ও হস্তান্তর করতে পারবেন।

ইসলাম নারীকে যতটুকু সম্মান ও ইজ্জতের আসনে আসীন করেছে, অন্যান্য ধর্ম তাদেরকে শুধু বঞ্চিত ও লাঞ্ছিতই করেনি বরং বিভিন্নভাবে তাদেরকে অসম্মান ও অপমানিত করেছে। অথচ আমাদের জ্ঞানপাপী দৃষ্টিভ্রম ভাইদের তা নজরে আসে না। তারা বিবেকের সাথে প্রতারণা করে শুধু শুধুই ইসলামের পিছনে লেগে থাকে। পাওয়ারফুল কাঁচ দিয়ে ইসলামের দোষত্রুটি আবিস্কারের ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালায়। মোটা মোটা অক্ষরে লিখা অন্যান্য ধর্মে নারীদের মীরাসী আইনের দোষত্রুটিগুলো তাদের নজরে আসে না। জীবনস্বত্ব নামক অপমান ও লাঞ্ছিতমূলক উত্তরাধিকার প্রদান করে নারীকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা তাদের নজরে আসেনা। সপিণ্ডের দীর্ঘ তালিকায় নারীকে এমন ক্রমধারায় স্থান দেয়া হয়েছে যে, তাদের না পাওয়ার সম্ভবনাই অধিক। পিতার বর্তমানে মাতার বঞ্চিত হওয়ার খৃষ্ট আইনের প্রতি এ সমস্ত বোধহীনেরা বড়ই অন্ধ। কপাল পুরা কিছু মুসলমান বুদ্ধিজীবি ও সরকার প্রধানও ইসলামের মীরাসী আইনের দোষ খুঁজে ফেরে।

সমালোচকসহ সকল মুসলিম সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই ইসলামের মীরাসী আইনে কোন অবস্থাতেই নারীর অধিকারকে খর্ব করা হয়নি। বরং ইসলামই নারীকে মীরাসের অধিকার দিয়ে সম্মানিত করেছে। ইসলামের মীরাসী আইন সমাজ ও রাষ্ট্রে যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে অবহেলিত নারী সমাজ সকল প্রকার লাঞ্চনা ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেত। আর নারীরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হলে তারা অনেকের দূর্ব্যবহার থেকেও রক্ষা পেত। এবং এর ফলে তার অন্যান্য অধিকার ও মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত হতো। কিন্তু তা না করে আল্ল­াহ রাব্বুল আলামীনের রচিত মীরাসী আইন পরিবর্তন করে অথবা তাঁর কিতাবে অন্যান্য যে সমস্ত আইনগত সুস্পষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছেন সেগুলো ভেঙ্গে ফেলে ও আল্ল­াহর চিরন্তন আযাবের ভয় দেখানোর পরও অপরিণামদর্শীকোন কোন মুসলমান ব্যক্তি ও রাষ্ট্র প্রধান ইহুদীদের কায়দায় নিলর্জ্জভাবে আল্ল­াহর আইনে পরিবর্তনের অপচেষ্টা করেছে এবং তাঁর সীমারেখা ভেঙ্গেফেলার দুঃসাহস দেখিয়েছে। এদের সাথে যুক্ত হয়েছে এদেশীয় কিছু সংখ্যক তথাকথিত হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান বুদ্ধিজীবী। মীরাসী আইনের ব্যাপারে যে নাফরমানী করা হয়েছে তা আল্ল­াহর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট বিদ্রোহের শামিল।

সুতরাং আসুন নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামের মীরাসী আইন প্রতিষ্ঠায় যত্নবান হই। কোনক্রমে যেন আমরা আল্ল­াহর সীমা অতিক্রম করার দু:সাহস না দেখাই। আল্ল­াহ তা’আলা যেন আমাদেরকে তাঁর আইন ভেঙ্গে সীমা লঙঘকারীদের কাতারে শামিল না করেন।

Posted ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

গল্প : দুই বোন

(9320 বার পঠিত)

স্মরণে যাতনা

(1861 বার পঠিত)

মানব পাচার কেন

(1583 বার পঠিত)

আত্মঅহমিকা

(1367 বার পঠিত)

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.