ড. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ | বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রার্থী দু’জনই অভিবাসন এবং নারী নিয়ে প্রচুর বাক বিতণ্ডা করছেন। ট্রাম্প অভিবাসন বিষয়ে কমালা হ্যারিসকে নিত্যই গালমন্দ করছেন। মেক্সিকো সীমান্তে বাইেডন-কমালা সময়ে যে উত্তাল অবস্থা তার জন্য হ্যরিস দায়ী এ অপবাদ প্রচারণা অভিযানে প্রায়ই উত্থাপন করে ভাইস প্রেসিডেন্ট যেহেতু দায়িত্বপ্রাপ্ত এ জন্য তারই সব দোষ বলতে কসুর করছেন না। তাঁর আমলে বলেছিল তিনি সীমানা প্রাচীর করবেন এবং এ বাবদ যত মুদ্রা খরচ হবে তা মেক্সিকো বহন করবে। সীমান্ত প্রাচীর অসমাপ্ত রয়ে গেছে মেক্সিকো কানাকড়ি অর্থ ও দেয়নি। ট্র্যাম্পের কিছু চেলাচামুন্ডা প্রাচীর নির্মাণের নামে লোকজনের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তা আত্মসাত করার জন্য জেল খাটছে। এ দলে স্তিভ বেনন অন্যতম। এদিকে কমালা হ্যরিস এবং ডেমোক্রেটরা বলছেন ত্রুম্পের হস্তক্ষেপের কারণে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের জন্য বিল পাশ করানো সম্ভব হয়নি বলেই যুক্তরাষ্ট্র- মেক্সিকো সীমান্তে বেআইনি আভিবাসন জুতসই ভাবে রোধ করা সম্ভব হয়নি।
এতোদসত্ত্বে ও আগমনের প্রবাহ অনেক কমানো সম্ভব হয়েছে। ট্র্যাম্পের সময় যে ভাবে মাদের কাছ থেকে শিশু সন্তানদের তেমন কোন তালিকা না রেখেই আলাদা করা হয়েছিল সে অমানবিক ব্যবস্থা বাইডেন আমলে রহিত করা গেছে। তবে,সীমান্ত দিয়ে আশা বেআইনি আভিবাসিদের যে ভাবে টেক্সাস ও ফ্লোরিডার গভর্নর বাস ভর্তি করে, প্লেনে করে নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ইত্যাদি সহনশীল রাজ্যে পাঠিয়েছে তাও ঠিক হয়নি। দোনালড ট্র্যাম্প তাঁর প্রচার অভিযানে তার প্রিয় বিষয়টি নিয়ে বলছেন যে নির্বাচিত হলে অভিবাসীদের জন্য তাঁবু শহর নির্মাণ করবেন এবং তাদের জোর করে নিজেদের জন্মভূমিতে পাঠিয়ে দেবেন। হিটলার যেমন ক্যাম্প করেছিলেন ইহুদিদের আলাদা করার জন্য অনেকটা তেমন কায়দায়।
রিপাবলিকানরা মনে করে যে জীবন যাত্রার ব্যয় নির্বাহ, গর্ভপাত, এবং ইউএস-মেক্সিকো বর্ডার নিয়ে যত বেশী কথাবার্তা সঠিক ভাবে বলতে পারলে জন সাধারণ তাদের ভোট দিয়ে হাউজে দলটির প্রার্থীদের বেশী সংখ্যায় পাঠাতে সমর্থ হবে। ট্র্যাম্প তো গর্ব করে বলেন তার আন্তরিক চেষ্টায়ই Roe v. Wade আইন বাতিল করা সম্ভব হয়েছে। এতে করে শাসনতন্ত্রে গর্ভপাত বা এবরশন এর অধিকার খর্ব করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে তিনি এক ক্যাম্পেইনে বলেছেন তিনি প্রেসিডেন্ট হলে নারী সম্প্রদায় সুখী হবে, তাদের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা করতে হবে না,স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে। ট্র্যাম্প নারীদের রক্ষাকর্তা হয়ে তাদের সুরক্ষা (protect) করবেন ।
Posted ৩:১৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh